লালসবুজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:১০ পিএম
জাতীয় সংসদে ঋণখেলাপি সদস্যদের ‘ঋণখেলাপি’ হিসেবে উল্লেখ করা নিয়ে আপত্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলের প্রধান হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, সংসদেই যদি ঋণখেলাপিদের ঋণখেলাপি বলা না যায়, তাহলে আর কোথায় বলা যাবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিধিবিধান প্রসঙ্গ উত্থাপন করে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন উপাধ্যক্ষ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
নাহিদ ইসলাম বলেন, তার প্রথম অধিবেশনের বক্তব্যে তিনি সংসদ সদস্যদের মধ্যে কার কার কত ঋণখেলাপি রয়েছে, তার সংখ্যাও উল্লেখ করেছিলেন। তবে কারও ব্যক্তিগত নাম প্রকাশ করেননি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যে দল ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিয়ে সংসদে পাঠায়, তার দায়ও তাদেরকেই নিতে হবে। তাই সংসদে ঋণখেলাপিদের উপস্থিতির প্রসঙ্গ উঠলে সেটিকে অস্বীকার করা যায় না।
তিনি আরও বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দল যদি ঋণখেলাপিদের সংসদে নিয়ে আসে, তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এমন মন্তব্য তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। সংসদের মর্যাদা রক্ষা করলেও সত্য কথা বলাকে দমন করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে গাজীপুর পাঁচ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলন বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংসদ একটি ব্যতিক্রমধর্মী সংসদ হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অতীতের বিতর্কিত নির্বাচনের তুলনায় বর্তমান সংসদের মর্যাদা অনেক বেশি।
নিজেদের বক্তব্যে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সংসদে এমন কিছু কথা বলা উচিত নয়, যা নিজেরাই নিজেদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, একজন ঋণখেলাপি কখনোই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না, তাই পুরো সংসদকে ঋণখেলাপিদের সংসদ বলা ঠিক নয়।