লালসবুজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
গাজীপুরের টঙ্গীর দত্তপাড়ায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ৯৮ একর জমিতে এবং রাজশাহী, দিনাজপুর, বরিশাল, খুলনা, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন পৌর এলাকার ৩৭টি বস্তিতে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য উন্নত আবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী, খুলনা ও চট্টগ্রামে সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জমিতে ভাড়াভিত্তিক ও সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাজমুন নাহারের প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানান, পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩-এর শাস্তি, জরিমানা ও কারাদণ্ডসংক্রান্ত বিধান সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে সংশোধন করা হবে।
এদিকে নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদার প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা বিতরণে অতীতে রাজনৈতিক বিবেচনা ও অনিয়মের অভিযোগ ছিল। এসব অনিয়ম দূর করতে প্রকৃত দুস্থদের তালিকা প্রস্তুত, ভুয়া সুবিধাভোগীদের বাদ দেওয়া এবং তথ্যভান্ডার যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে গত ১৯ এপ্রিল পুনঃযাচাই-বাছাই কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরে ৬১ লাখ উপকারভোগী মাসে ৬৫০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। আগামী অর্থবছরে এ ভাতা ৭০০ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে উপকারভোগীর সংখ্যা বেড়ে ৬২ লাখ হবে এবং এ খাতে বরাদ্দ রাখা হবে পাঁচ হাজার ২৩৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম রফিকুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আগামী অর্থবছরে ৩০ লাখ বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারীকে মাসিক ৭০০ টাকা ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী ভাতা ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ খাতে ৩৮ লাখ উপকারভোগীর জন্য বরাদ্দ রাখা হবে চার হাজার ৫৮৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সালমান ওমরের প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও জানান, দেশের ৪৪ জেলার ৫৫ উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে তিন ধাপে ৬৯ হাজার ৩৮৭ জন নারী পরিবারের প্রধানের নামে পারিবারিক পরিচয়পত্রের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ করা হয়েছে।